প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন, যেখানে তিস্তা প্রকল্প এবং শ্রমিক ইস্যুতে আলোচনা হবে। তবে, কোনো চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিনিয়োগ ও বাজেট বাস্তবায়নে সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য দুই দেশের সহায়তা আদায়ে গুরুত্ব দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তার প্রথম বিদেশ সফর শুরু করবেন রোববার থেকে, যেখানে তিনি দুই দিনের জন্য মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে থাকবেন। পরে ২৩ জুন চীনের বেইজিংয়ে যাবেন।
সাবেক রাষ্ট্রদূত মাহফুজুর রহমান সফরকে একটি কৌশল হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, "চীনের মতো পরাশক্তির সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে মালয়েশিয়ায় যাওয়াটা একটি স্মার্ট মুভ।"
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক ওবায়দুল হক জানান, এই সফর কৌশলগত কারণে বেইজিং ও দিল্লির দ্বন্দ্ব এড়াতে সহায়ক হবে। তিনি বলেন, "মালয়েশিয়া আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।"
সফরে প্রধানমন্ত্রী দুই দেশের রাষ্ট্র প্রধানদের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন, যেখানে রাজনৈতিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।
অন্যদিকে, শ্রমবাজার ইস্যুতে জটিলতা এবং চীনের আগ্রহ তিস্তার প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হলেও ঢাকা থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে না বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন।
মাহফুজুর রহমান আরও বলেন, "মালয়েশিয়ার কাছ থেকে ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট আনতে পারলে বাংলাদেশের জন্য তা একটি ডাইভারসিফিকেশন হবে।"
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং সার্ক সদস্য দেশে পর্যায়ক্রমে সফর করবেন।