অনিয়মিত অভিবাসীদের বৈধকরণ স্বাগতিক দেশের সার্বভৌম সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। বুধবার (১৭ জুন) সংসদে বক্তব্য রাখার সময় তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, বিদেশে অবস্থানরত অবৈধ কাগজপত্রধারী বাংলাদেশি অভিবাসীদের বৈধতার সুযোগ বৃদ্ধিতে সরকার সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে। তিনি বলেন, "বিদেশে বসবাসরত আমাদের বাংলাদেশি ভাই-বোনেরা জাতীয় উন্নয়নে অনন্য অবদান রাখছেন। তারা দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির অন্যতম প্রধান শক্তি।"
ড. খলিলুর রহমান আরও বলেন, বর্তমান সরকার তাদের কল্যাণ, অধিকার সুরক্ষা এবং মর্যাদা রক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। কোনো দেশ যখন অনিয়মিত অভিবাসীদের জন্য অ্যামনেস্টি বা বৈধকরণ কর্মসূচি ঘোষণা করে, তখন বাংলাদেশের দূতাবাসগুলো সেখানে অবস্থানরত অনিয়মিত বাংলাদেশিদের প্রয়োজনীয় তথ্য, পরামর্শ ও সার্বিক সহায়তা প্রদান করে।
স্পেন সরকার প্রায় ৫ লাখ অনিয়মিত অভিবাসীকে বৈধ মর্যাদা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এর ফলে আনুমানিক ২০ হাজার বাংলাদেশি নাগরিক বৈধভাবে বসবাস ও কর্মসংস্থানের সুযোগ পেতে পারেন।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, অনিয়মিত অভিবাসীদের বৈধকরণ মূলত সেই দেশের নিজস্ব আইন, নীতি ও সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে। তাই বাংলাদেশ সরকার ও দূতাবাসগুলোর সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা থাকা সত্ত্বেও একতরফাভাবে এ বৈধতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।