ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, ৪১ বছর বয়সে, ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছেন। আজ রাতে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে তাঁর শেষ বিশ্বকাপ মিশন। তবে, রোনালদোর উপস্থিতি কি পর্তুগালের জন্য উপকারী, নাকি ক্ষতিকর?
২৩ বছর আগে কাজাখস্তানের বিরুদ্ধে একটি প্রীতি ম্যাচে পর্তুগালের জাতীয় দলে রোনালদোর যাত্রা শুরু হয়। সেই সময় কেউ ভাবেনি যে মাদেইরা দ্বীপ থেকে আসা এই তরুণ একদিন ফুটবলের ইতিহাস নতুন করে লিখবেন। বর্তমানে তিনি ১৪৩টি আন্তর্জাতিক গোল করে বিশ্বের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা।
তবে, এবারের বিশ্বকাপে রোনালদোর ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। পর্তুগালের কিংবদন্তি আন্তোনিও সিমোয়েস মন্তব্য করেছেন, ‘রোনালদো এখন দলের জয়ের জন্য খেলেন না, তিনি নিজে নায়ক হওয়ার জন্য খেলেন।’ ফুটবল বিশেষজ্ঞ সোফিয়া অলিভেইরা বলেছেন, রোনালদোর ধার আর নেই যা দিয়ে তিনি মূল একাদশে থাকতে পারেন।
পর্তুগালের হেড কোচ রবার্তো মার্তিনেস রোনালদোর সমালোচকদের বিরুদ্ধে পরিসংখ্যান উপস্থাপন করেছেন। মার্তিনেসের অধীনে রোনালদো ৩১ ম্যাচে ২৫টি গোল করেছেন। কিন্তু পর্তুগাল তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জয় ৯-০ গোলে লুক্সেমবার্গকে পরাজিত করেছে, যেখানে রোনালদো ছিলেন অনুপস্থিত।
রোনালদোর ক্ষমতা এখন আকাশচুম্বী। ২০২২ বিশ্বকাপে তাঁকে বেঞ্চে বসানোর পর তোলপাড় শুরু হয়েছিল এবং তৎকালীন কোচের চাকরি চলে গিয়েছিল। हाल ही में পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশন রোনালদোর কোম্পানির সঙ্গে স্পনসরশিপ চুক্তি করেছে, যা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
রোনালদোর লক্ষ্য সোনালী ট্রফি, যা তাঁর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মেসির ক্যাবিনেটে রয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে, রোনালদো কি নিজের শেষ বিশ্বকাপে মাঠে পারফরম্যান্স দিয়ে সব সমালোচনার জবাব দিতে পারবেন?