জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকায় সরকার দলের সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের উন্নয়ন তদারকির দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
আজ বুধবার, জামায়াতের সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেমের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী সরকার দলীয় নারী এমপিদের বিরোধী দলের এমপিদের এলাকায় উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তদারকি এবং জিও লেটার ইস্যুর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’
মীর আহমাদ বিন কাসেম অভিযোগ করেন যে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বিরোধী এমপিদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে কোনো ভূমিকা রাখতে দেওয়া হচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রীর জবাবে বলেন, ‘আপনি জানেন, আমাদের বা আপনাদের দল থেকে নির্বাচিত নারী সদস্যদের জন্য সংবিধানে কোনো নির্দিষ্ট আসন নেই। তাই আমরা রাজনৈতিক কাঠামোর ভিত্তিতে তাদের কাজের জায়গা নির্ধারণ করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে আপনার নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়নের বিষয়ে ভূমিকা রাখার সম্পূর্ণ অধিকার আছে। তবে সংসদে নির্বাচিত নারী নেতৃবৃন্দেরও সেই অধিকার রয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলের এমপিদের আশ্বস্ত করে বলেন, ‘আপনার এলাকার উন্নয়নে যদি আমার কোনো সহযোগিতা প্রয়োজন হয়, আপনি জানাবেন– আমি সরাসরি সহযোগিতার চেষ্টা করবো।’
জিও লেটার বা গভর্নমেন্ট অর্ডার লেটার হলো জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে সরকারি দপ্তরের কাছে দেওয়া একটি সুপারিশ বা অনুমোদনপত্র, যা উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়তা করে।