বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬
ব্রেকিং
সিয়াটলে খাদ্য উৎসবে গুলিতে তিনজন নিহত, আহত চারজন দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপে দাবানল: ৩২৫,০০০ মানুষ নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে সিয়াটলে ফুড ফেস্টিভ্যালে বন্দুক হামলায় নিহত ২, আহত ৫ সিয়াটলে ফুড ফেস্টিভ্যালের কাছে গোলাগুলিতে দুইজন নিহত, আহত পাঁচ চেরনিহিভে রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘর্ষে ১০ জন নিহত, শিশু অন্তর্ভুক্ত রাজবাড়ীতে ট্রেনের বিচ্ছিন্ন বগির ধাক্কায় নিহত ২, আহত ৬ ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলা, পশ্চিম তীরে মসজিদ পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ফ্রান্স ও স্পেনে দাবানলে বিপর্যয়, তিন লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে ফ্রান্স ও স্পেনে দাবানলে তিন লাখের বেশি মানুষ ঘরছাড়া বার্লিনে সমকামীদের প্রাইড শোভাযাত্রায় গাড়িচাপা, নিহত ১
অপরাধ

পাবনায় রিয়া হত্যা মামলায় অভিযুক্তের বাড়িতে আগুন, মৃত্যু ৩

পাবনায় রিয়া হত্যা মামলায় অভিযুক্তের বাড়িতে আগুনে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

পাবনায় রিয়া হত্যা মামলায় অভিযুক্তের বাড়িতে আগুন, মৃত্যু ৩

পাবনায় নবম শ্রেণির ছাত্রী রিয়া খাতুন হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্তদের বাড়ি-ঘরে উত্তেজিত জনতার দেওয়া আগুনে দগ্ধ আরও ৩ জন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সোমবার (৮ জুন) ও মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালের মধ্যে তাদের মৃত্যু হয়।

হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে বার্ন ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুই যুবকের মৃত্যু হয়। এর আগে সোমবার বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়েছিল। নিহতরা হলেন পাবনা সদর উপজেলার পূর্ব রাঘবপুর এলাকার সুমন শেখ, নতুন পাড়া এলাকার সাইফুল ইসলাম সাব্বির এবং একই এলাকার সাপু।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার (১০ জুন) পাবনা সদরের ভাঁড়ারা এলাকায় পদ্মা নদীর তীর থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় স্কুলছাত্রী রিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশি অভিযানে রিয়ার চাচাতো ভাইসহ তিনজনকে আটক করা হয়।

পরদিন রিয়ার দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর ক্ষুব্ধ ও উত্তেজিত এলাকাবাসী অভিযুক্তদের বাড়ি-ঘরে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় একটি ঘরে থাকা রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হলে আগুন নেভাতে যাওয়া ও আশেপাশে দাঁড়িয়ে থাকা বেশ কয়েকজন মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন।

পাবনা সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে, আগুনে দগ্ধ হওয়ার পর তাদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। পুলিশ আরও নিশ্চিত করেছে, আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা যাওয়া এই তিন ব্যক্তি রিয়া হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিলেন না। তারা সবাই প্রতিবেশী এবং উৎসুক জনতা হিসেবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন