লোডশেডিংয়ের জন্য বিদ্যুতের ঘাটতি দায়ী নয়, বরং ঝড়-বৃষ্টি এবং অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণজনিত অব্যবস্থাপনা এর কারণ। সংসদ অধিবেশনে এ দাবি করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেন, চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।
মন্ত্রীর বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কখনও কখনও বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটতে পারে। অধিবেশনে বিরোধী দলের সদস্যরা বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেন, গ্রামাঞ্চলে ১০ থেকে ১২ ঘন্টা বিদ্যুৎ নেই, যা বাস্তবতা।
মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ আরও জানান, বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘাটতি নেই, তবে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটছে। সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ মন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলেন, সংসদে যে প্রতিশ্রুতি দেন, সেটির বাস্তবায়নের আগে প্রয়োজনীয় গবেষণা করতে হবে।
এদিকে, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রয়েছে, তবে যারা গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে কাজ করবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাখ্যা দাবি করেন।
অধিবেশনে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার দ্রুত বিচার সম্পন্ন হওয়ার কথা জানিয়ে বলেন, এই রায় আইনের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়িয়েছে।