চট্টগ্রামের জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের আশপাশ এক বছরেই আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। সাধারণ মানুষকে ময়লা পার করে স্মৃতিস্তম্ভে যেতে হচ্ছে। এই অবহেলার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জুলাই যোদ্ধারা।
নিউ মার্কেট এলাকায় ৬ ফুট প্রস্থ এবং ১৮ ফুট উচ্চতার স্মৃতিস্তম্ভের চারপাশে আবর্জনা ও আগাছার জঙ্গল দেখা যায়। রেল স্টেশনের পার্কিং এরিয়ায় অবস্থিত এই স্মৃতিস্তম্ভের দুপাশের দেয়াল ভেঙে সাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু, সেখানে যেতে হলে আবর্জনা পার করতে হয়।
এছাড়াও, দিনে মালবাহী গাড়ির জটলা এবং রাতে মাদকের আড্ডা সেখানে সমস্যার সৃষ্টি করছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন বহদ্দারহাট, মুরাদপুর, কদমতলী ও দেওয়ানহাটেও 'জুলাই মেমোরি স্টাম্প' স্থাপন করেছে, কিন্তু নামফলক নেই।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিয়া বলেন, “রেলওয়ে এবং পিডব্লিউডিকে জানানো হবে যাতে এক পাশে দেয়াল দিয়ে আরেক পাশ খুলে দেয়া হয়, যাতে সকলেই সেখানে যেতে পারে।”
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “জুলাই আমাদের একটি আবেগের জায়গা। আমরা অবশ্যই বিষয়টিতে গুরুত্ব দেব এবং স্মৃতিস্তম্ভকে নান্দনিক করবো।”
২০২৪ সালে অন্তর্বর্তী সরকার ৬৪ জেলায় জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে নির্মিত হয় চট্টগ্রামের জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ।