সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারীদের ছবি চুরি এবং ভুয়া আইডির মাধ্যমে সাইবার অপরাধের ঘটনা বাড়ছে। বিশেষ করে স্কুলপড়ুয়া মেয়েরা এ ধরনের অপরাধের শিকার হচ্ছেন।
পুলিশ ও সাইবার বিশেষজ্ঞদের তথ্য অনুযায়ী, নারীদের কেন্দ্র করে চার ধরনের অপরাধ বেশি দেখা যায়: ভুয়া আইডি তৈরি, ছবি বিকৃত করে অপপ্রচার, মূল অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং এবং নোংরা মেসেজ পাঠানো।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার ইউনিটের কর্মকর্তারা জানান, আসল সমস্যাটি প্রযুক্তিগত ও এখতিয়ারের। অভিযোগগুলো ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটার কাছে পৌঁছাতে বেশ কিছু প্রশাসনিক ধাপ পার করতে হয়।
বাংলাদেশে জিডি সাধারণত বাংলায় লেখা হয়, কিন্তু মেটা বাংলা জিডি গ্রহণ করে না। ফলে পুলিশকে প্রথমে ইংরেজিতে অনুবাদ করতে হয়, যা সময়সাপেক্ষ।
মেটা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন পাঠানোর পর তারা সব আবেদনে সমানভাবে সাড়া দেয় না। মারাত্মক অপরাধের ক্ষেত্রে দ্রুত সাড়া দিলেও সাধারণ অভিযোগগুলোর জবাব পেতে মাসের পর মাস লেগে যেতে পারে।
সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষক তানভীর হাসান জোহার বলেন, এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য ‘মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ট্রিটি’ (MLAT) প্রয়োজন।
ভুক্তভোগীদের জন্য কিছু পরামর্শ: ফেসবুক প্রোফাইলটি লক রাখুন, ভুয়া আইডি খোলার পর বন্ধুদের সহযোগিতায় রিপোর্ট করুন এবং থানায় অভিযোগ জানান। সাইবার জগৎকে নিরাপদ রাখতে সচেতনতা অপরিহার্য।