রাজধানীর বাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বিশেষ করে, ডিম ও সবজির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়, যা গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার পরিদর্শন করে দেখা গেছে, মুরগির দামেও স্বস্তি নেই। সোনালি মুরগির কেজি ৩৬০-৩৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, আর দেশি মুরগির দাম ৭২০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছে। তবে, ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
এদিকে, ইলিশ মাছের সরবরাহ বাড়লেও দাম কিছুটা কমেছে। মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, নদীতে ইলিশ আহরণের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর জেলেরা মাছ ধরতে গেছেন। তবে সাগরে নিষেধাজ্ঞার কারণে উপকূলে মাছের সরবরাহ এখনও স্বাভাবিক নয়।
নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের আয়ের সঙ্গে খরচের হিসাব মেলানো কঠিন হয়ে পড়েছে। শ্রমিক দিবসে খেটে খাওয়া মানুষের জন্য খাদ্য সামগ্রীর দাম বাড়তে থাকায় তাদের জীবনযাত্রা আরো কঠিন হয়ে উঠছে।
বাজারে সবজির দামও চড়া। চিকন বেগুন কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকায়, বড় গোল বেগুন ১৩০ থেকে ১৫০ টাকায় এবং কাঁকরোল ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। টমেটো, বরবটি, পটোল, ঝিঙে এবং ঢ্যাঁড়সের দামও বেড়েছে।
ক্রেতাদের অভিযোগ, যেভাবে ডিম ও মুরগির দাম বাড়ছে, সেভাবে সাধারণ মানুষের আয় বাড়ছে না। ফলে, নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরো কঠিন হয়ে উঠছে।
জ্বালানি তেলের সংকট এবং সরবরাহের অজুহাতের কারণে বাজারে বাড়তি সুবিধা নেওয়া হচ্ছে কিনা, তা নিশ্চিত করতে বাজার তদারকি বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।