শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬
ব্রেকিং
অর্থনীতি

ঢাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

ঢাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার।

ঢাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরামর্শে এবং বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে আলোচনা করে রাজধানী ঢাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে এই তথ্য জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, গতকাল বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা প্রায় ১৬ হাজার মেগাওয়াট ছিল, যেখানে উৎপাদন হয়েছে ১৪ হাজার ১২৬ দশমিক ৩৫ মেগাওয়াট। ফলে ২ হাজার ৮৬ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে সরকার বাধ্য হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের সেচের জন্য পর্যাপ্ত ডিজেল এবং বিদ্যুৎ নিরবচ্ছিন্ন রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন, যা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। তবে পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহের অভাবে কিছু কিছু স্থানে লোডশেডিং হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, শহরের মানুষ শান্তিতে থাকবে এবং গ্রামের কৃষকরা কষ্টে থাকবে, এটি কাম্য নয়। শহর ও গ্রামের মধ্যে বৈষম্য মুক্ত করতে শহরে প্রয়োজনে লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী জানান, গতকাল সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে। এই আলোচনা থেকে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি ১০ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠনের প্রস্তাব এসেছে, যা জাতির জন্য নতুন পথের দিশা হতে পারে।

দেশে ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে গ্যাস কূপগুলো মিলে প্রতিদিন ১ হাজার ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন হচ্ছে, যা ১ হাজার ১৬৪ মিলিয়ন ঘনফুটের ঘাটতি তৈরি করছে।

তিনি জানান, একটি আমদানিকৃত পাওয়ার প্ল্যান্ট এবং একটি কোল বেজড পাওয়ার প্ল্যান্ট তাদের মেইনটেনেন্সের কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহে সমস্যা সৃষ্টি করেছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তারা পূর্ণ উৎপাদনে ফিরবে, ফলে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ আগামী সাত দিনের মধ্যে কমে যাবে।

বিজ্ঞাপন