সুন্দরবনে বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকারের অভিযোগে তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার, ৭ নভেম্বর, অভিযান চালিয়ে ছোট জোংড়া খাল থেকে তাদের আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন মো. সোহেল শেখ (৩৬), তার স্ত্রী লাইজু বেগম (৩২) এবং বিষ বিক্রেতা মো. সেলিম মিয়া (৫২)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২ নভেম্বর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বন টহল দলের ইনচার্জ মো. মতিউর রহমান টহলে বের হন। এ সময় একটি নৌকা জব্দ করা হয়, যা বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকারের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। আটকরা তখন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়, এতে ইনচার্জসহ আরও একজন আহত হন।
এই ঘটনায় ইনচার্জ মতিউর রহমান বাদী হয়ে সোহেল শেখ, লাইজু বেগম, ইউনুস আলী এবং নূপুর খীরের বিরুদ্ধে দাকোপ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি ৪ নভেম্বর রেকর্ড করা হয়।
বনকর্মীদের ওপর হামলার বিষয়টি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলামের নজরে আসলে তিনি স্থানীয় প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন। তার নির্দেশনার পর পুলিশ ও বন বিভাগ বিষ দস্যুদের আটক করতে তৎপর হয়।
শনিবার রাতে মোংলা ও দাকোপ থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে সোহেল ও লাইজুকে গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা মোংলা বাজারের সেলিম মিয়ার দোকান থেকে বিষ কেনার তথ্য দেয়। পরে সেলিম মিয়াকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
দাকোপ থানার ওসি মো. আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, আটক তিন জনকে আজ আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘বিষ বিক্রি ও বিষ দিয়ে মাছ ধরার সঙ্গে জড়িতদের ছাড় দেওয়া হবে না।’