চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের পর অক্টোবরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশেষজ্ঞরা দ্রুত টিকা দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এখনও আক্রান্তের হার নির্ধারণের জরিপ শেষ করতে পারেনি। এ অবস্থায়, মশা নিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি টিকার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরা।
ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব একসময় বর্ষার পরে সীমাবদ্ধ ছিল, কিন্তু বর্তমানে সারা বছর ধরে সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে। আগে ঢাকা ও চট্টগ্রামে বেশি আক্রান্ত হলেও, খুলনা ও বরিশালসহ অন্যান্য বিভাগেও রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম জানিয়েছেন, তারা জরিপের ফলাফল হাতে পেলেই সমস্যা চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেবেন।
শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মির্জা মো. জিয়াউল ইসলাম বলেন, মশার উৎপত্তিস্থল ধ্বংস ও সার্ভিলেন্স কার্যক্রম চালানো জরুরি।
ভাইরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সী জানান, ডেঙ্গুর জন্য ইতোমধ্যে দুটি ভ্যাক্সিন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন অনুমোদন দিয়েছে। বাংলাদেশে সেগুলোর ট্রায়াল চালিয়ে অনুমতি দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
২০২৩ সালে দেশে ৩ লাখ ২১ হাজার মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে এবং মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৭০৫ জনের।