হাম, ডেঙ্গু এবং কোভিডের মতো প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় দক্ষতা প্রদর্শন করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতাল। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারি হাসপাতালের সংখ্যা আরও বাড়ানো প্রয়োজন, যা এই ধরনের রোগের চিকিৎসায় সক্ষম।
মহামারি ঠেকাতে বেসরকারি হাসপাতালগুলোর ভূমিকা বৃদ্ধিরও তাগিদ দিয়েছেন তারা। হাম আক্রান্ত সন্তানের চিকিৎসায় অভিভাবকদের ভোগান্তি উল্লেখ করে এক অভিভাবক বলেন, “শিশু মেডিকেলে যাওয়ার পর আমাকে একদিন অপেক্ষা করতে হয়েছে, কিন্তু সেখানে আমাকে সিট দেওয়া হয়নি।”
অন্যদিকে, গাজীপুর থেকে পাঠানো এক রোগীর স্বজন জানান, “এখানে মোটামুটি চিকিৎসা সেবার মান ভালো। নার্স এবং ডাক্তারদের সেবা সন্তোষজনক।”
ডিএনসিসি কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. দেবব্রত রায় জানান, “আমাদের এখানে ৯,৯৫৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছে, যার মধ্যে মাত্র ৬৫ জন মারা গেছে, যা মৃত্যুর হার এক শতাংশেরও কম।”
বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, সরকারের উচিত ডিএনসিসি হাসপাতালের মতো সক্ষম হাসপাতালের সংখ্যা বৃদ্ধি করা। জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, “প্রত্যেকটি হাসপাতালে আইসোলেটেড হামের চিকিৎসা করা প্রয়োজন, যা পুরোপুরি হয়নি।”
কোভিড, হাম এবং ডেঙ্গুর মতো দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালগুলোর সমন্বিত ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।