সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবরে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধির শঙ্কা প্রকাশ করেছেন কীটতত্ত্ববিদরা। চলতি বছর ডেঙ্গুতে ২৯৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৯৪ হাজার।
সেপ্টেম্বর মাসে ৪৩ হাজার ৭৭৪ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন, যার মধ্যে ১৪৮ জন মারা গেছেন। ঢাকার পর খুলনা, চট্টগ্রাম এবং বরিশাল বিভাগে সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শহরের পাশাপাশি গ্রামেও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে। খুলনা বিভাগের বর্তমান পরিস্থিতি উদ্বেগজনক, যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ হাজার ছাড়িয়েছে এবং ৫৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। গত ৭ দিনে সেখানে ১০ জন মারা গেছেন।
খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির পাশাপাশি সচেতনতামূলক প্রচারণা চলছে।’ বরিশাল স্বাস্থ্য বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক ডা. মো. রেফায়েতুল হায়দার জানান, পিরোজপুরে সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে।
চট্টগ্রাম বিভাগে ১৪ হাজার রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং ২৫ জন মারা গেছেন। রাজশাহী বিভাগে ৬ হাজার ৪৫৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন। সিলেট বিভাগে সবচেয়ে কম রোগী শনাক্ত হয়েছে।
কীটতত্ত্ববিদ ড. কবিরুল বাশার বলেন, ‘সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবরে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে পারে। এডিস মশার প্রজননস্থল নির্মূলে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণের তাগিদ রয়েছে।’