বাজারে শীতকালীন সবজির উপস্থিতি শুরু হলেও, দাম ক্রেতাদের নাগালের বাইরে রয়ে গেছে। বিশেষ করে, বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকটের কারণে ভোগান্তি বেড়েছে সাধারণ মানুষের।
সম্প্রতি বাজারে পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চাপ বেড়েছে। শুক্রবার সকালে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে, তবে অস্বাভাবিক দামের কারণে তারা বাজেট অনুযায়ী পণ্য কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন।
কারওয়ানবাজারে কাঁচামরিচের দাম ১২০ থেকে ১৫০ টাকা, যদিও পাইকারিতে এটি ৮০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। শীতকালীন সবজির দামও আকাশছোঁয়া। টমেটো ২০০ টাকা, পটল ১০০-১২০ টাকা এবং গাজর প্রতি কেজি ১২০-১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কোথাও কোথাও শিমের দাম ২৪০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে।
এছাড়া, বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহে সংকট দেখা দিয়েছে। ৫ লিটারের বোতল পাওয়া গেলেও ১ বা ২ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল পাওয়া যাচ্ছে না। বিক্রেতারা জানান, লাভের পরিমাণ কম থাকার পাশাপাশি সরবরাহও কমে গেছে।
আদা ও রসুনের দামও বেড়েছে, কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা। দেশি পেঁয়াজের দাম ৬০ টাকা। যদিও আটা-ময়দার দাম কিছুটা বাড়তি, তবে আমিষের বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। ব্রয়লার মুরগির দাম ১৮০-১৯০ টাকা, সোনালি ৩২০-৩৩০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩৪০-৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ডিমের দাম কয়েক সপ্তাহের তুলনায় ১০ থেকে ১৫ টাকা কমে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা ডজনে বিক্রি হচ্ছে।