প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক পদে নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং অন্যায়ভাবে কাউকে বাদ দেওয়া হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে এক বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, পহেলা অক্টোবর পর্যন্ত প্রাথমিকে শিক্ষক পদে চূড়ান্ত উত্তীর্ণদের পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র দেওয়া হবে। তিনি বলেন, "অন্যায়ভাবে কাউকে বাদ দেওয়া হচ্ছে না।"
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ১৪ হাজার ৩৮৪ জন চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হন। তবে, শত শত চাকরি প্রার্থী নিয়োগপত্র না পেয়ে শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন এবং ভেরিফিকেশনের নামে উদ্দেশ্যমূলকভাবে বাদ দেওয়ার অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "বিশেষ কারণে কাউকে বাদ দেওয়া হচ্ছে না।" নিয়োগ প্রক্রিয়া ১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
শিক্ষক বদলি বন্ধ ঘোষণার পরও প্রায় অর্ধশত শিক্ষক বদলির বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে মন্ত্রী জানান, "নিয়ম মেনেই করা হয়েছে।"
এদিকে, এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের পর অনেক শিক্ষার্থীর মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। ফেল করে কিংবা কাঙ্ক্ষিত নম্বর না পেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে, যার সংখ্যা প্রায় ১০ জন। তবে, খাতা পুনর্মূল্যায়নে দেখা গেছে প্রায় ৫ হাজার ফেল করা শিক্ষার্থী নতুন করে পাস করেছে।
মন্ত্রী জানান, এবারের এসএসসি পরীক্ষার খাতা পুনর্মূল্যায়নে ২৭ হাজার ৮৩৬ জনের গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে এবং ৩ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী নতুন করে এ প্লাস পেয়েছে। এসব পরীক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।