বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই, ২০২৬
ব্রেকিং
শিক্ষা

শিক্ষামন্ত্রী: ৫ লাখ টাকায় জিপিএ বিক্রি হয় না, ডিজিটালি তদারকি চলছে

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, '৫ লাখ টাকায় জিপিএ বিক্রি হয় না', ডিজিটালি তদারকি চলছে।

শিক্ষামন্ত্রী: ৫ লাখ টাকায় জিপিএ বিক্রি হয় না, ডিজিটালি তদারকি চলছে

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘নকলের বিরুদ্ধে ঝটিকা অভিযান চলছেই। আগে হেলিকপ্টার নিয়ে গিয়েছিলাম এখন ডিজিটালি তদারকি করা হচ্ছে। এখন আর ৫ লাখ টাকায় জিপিএ বিক্রি হয় না। মনস্তাত্ত্বিকভাবেও পরিবর্তন এসেছে। সবাই মিলে কাজ করছি, শিক্ষার মাধ্যমে আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ করতে চাই।’

মন্ত্রী বৃহস্পতিবার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। তিনি জানান, ‘বিগত দিনের মতো এবার প্রস্তুতি ছাড়া কেউ পরীক্ষা কেন্দ্রে যেতে পারছে না, সে কারণে হয়তো ঝরে পড়ার হার বেড়ে গেছে। কিন্তু এটি খারাপ নির্দেশক, তাই এটিকে এড্রেস করা হবে। এজন্য শিক্ষক প্রশিক্ষণকে সবচেয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে।’

শিক্ষকদের শূন্য পদগুলোতে নিয়োগ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আইনি জটিলতায় শূন্য থাকা দেশের প্রায় ৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আদালত। এর ফলে শিক্ষক নিয়োগের অধিকার ফিরে পেয়েছি। দেশে ৬৫ হাজার ৫০০ স্কুলের মধ্যে প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ ৩৬ হাজার ২৩৫টি।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আদালতের রায়ের ফলে ৩৬ হাজার ২৩৫ প্রধান শিক্ষক এবং সেই সাথে ইমিডিয়েটলি ৩৮ হাজার ৪৪৩ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া যাবে।’ তিনি উল্লেখ করেন, ‘শুধু প্রাথমিকে নয়, কলেজেও ৪ হাজার শিক্ষকের স্বল্পতা রয়েছে। এছাড়া সরকারি স্কুলে আরও ৪ হাজার নিয়োগ রয়েছে। আদালতের সিদ্ধান্তের পর পিএসসির সাথে কথা দ্রুত নিয়োগ নিয়ে কথা হয়েছে। আজ বিকেলের মধ্যে পিএসসিকে রিকুইজিশন দেওয়া হবে যেন তারা যেন স্পেশাল নিয়োগ দিতে পারে।’

এ সময় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘দেশের প্রায় ৬৫ হাজার স্কুলের মধ্যে প্রায় ৩৫ হাজার প্রতিষ্ঠানে এতোদিন প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। শিক্ষা ব্যবস্থার বড় একটি জটিলতা থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি।’

বিজ্ঞাপন