সম্প্রতি বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে পরিশোধন ও সরবরাহ কোম্পানিগুলো। জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির অজুহাতে তারা ইতোমধ্যে সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে।
খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, এ কারণে বাজারে সয়াবিন তেলের সংকট কাটছে না। ক্রেতারা অভিযোগ করেছেন, বাড়তি দামেও তেল না পাওয়ায় তারা ক্ষুব্ধ। বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারি নজরদারি না থাকার অভিযোগও উঠেছে।
চলতি মাসের ২ তারিখে সরকার প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৫ টাকা বাড়িয়ে ২০৪ টাকা নির্ধারণ করে। এরপরও বিপণন কোম্পানিগুলো বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক করেনি। রাজধানীর বেশিরভাগ বাজারে সয়াবিন তেলের সংকট প্রকট হয়ে উঠেছে।
খুচরা বিক্রেতারা জানান, পরিবেশকদের কাছে বারবার তাগাদা দিয়েও প্রয়োজনীয় তেল পাওয়া যাচ্ছে না। তারা অভিযোগ করেছেন, কোম্পানিগুলো বিক্রির কমিশনও কমিয়ে দিয়েছে, যা নতুন করে তেলের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনার অংশ বলে মনে হচ্ছে।
ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী কোম্পানির প্রতিনিধিরা দাবি করেছেন, তারা কয়েক মাস ধরে বেশি দামে আমদানি করতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে তাদের মতে, দাম বাড়ানো হয়নি। লোকসান এড়াতে সরবরাহ কিছুটা কমানো হয়েছে।
টিকে গ্রুপের পরিচালক শফিউল আতহার তাসলিম বলেন, ‘বেশি দামে আমাদের আমদানি করতে হচ্ছে। তাই অনেকে আমদানি কমিয়ে দিয়েছেন।’
এদিকে, ক্রেতারা বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট ও বাড়তি দামে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন। তারা বাজারে কার্যকর তদারকির দাবি জানিয়েছেন। দেশে বছরে ভোজ্যতেলের চাহিদা প্রায় ৩০ লাখ টন, যা মাত্র ৬টি কোম্পানি নিয়ন্ত্রণ করে।