বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ব্রেকিং
রাজনীতি

ইউপি নির্বাচনে জামানত ও ব্যয় বাড়াল নির্বাচন কমিশন

ইউপি নির্বাচনে জামানত ও ব্যয় বাড়ানোর নতুন বিধিমালা ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।

ইউপি নির্বাচনে জামানত ও ব্যয় বাড়াল নির্বাচন কমিশন

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও সদস্য প্রার্থীদের জামানত বৃদ্ধি করে যথাক্রমে ২৫ হাজার টাকা ও ৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রার্থীদের নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের ন্যূনতম ১৫ শতাংশ না পেলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা, ২০২৬-এর সংশোধনীতে এসব বিধান যুক্ত করা হয়েছে। সংশোধিত বিধিমালার আওতায় চেয়ারম্যান প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা ১০ লাখ টাকা এবং সদস্য প্রার্থীর জন্য ২ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কমিশনের ক্ষমতাও বৃদ্ধি করা হয়েছে। কোনো উৎস থেকে প্রাপ্ত রেকর্ড বা লিখিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে কমিশন তাৎক্ষণিক তদন্তের নির্দেশ দিতে পারবে।

তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে কমিশন সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের লিখিত আদেশ দিতে পারবে। এছাড়া, কোনো ভোটকেন্দ্রে ফলাফল বলপ্রয়োগ, ভীতি প্রদর্শন, কারসাজি বা অন্য কোনো অপকর্মের কারণে পক্ষপাতদুষ্ট হলে কমিশন ওই কেন্দ্রের ফলাফল স্থগিত করতে পারবে।

যদি দুই বা ততোধিক প্রার্থী সর্বোচ্চ সমান ভোট পান, তবে লটারির পরিবর্তে পুনঃভোটের বিধান রাখা হয়েছে। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনরত ব্যক্তি বা কমিশন অনুমোদিত গণমাধ্যম প্রতিনিধি বা পর্যবেক্ষককে হুমকি, ভয়ভীতি, আঘাত বা বলপ্রয়োগ দিয়ে বাধা দেওয়া অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

এছাড়া, কোনো ভোটারকে ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া বা মনোনয়নপত্র দাখিল থেকে বিরত রাখা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এসব অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন