চাঁদপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (টিটিসি) বিদেশে পাড়ি জমানোর স্বপ্ন নিয়ে আসা কর্মীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ব্যাচে ১০০ প্রশিক্ষণার্থী নেওয়ার কথা থাকলেও সেখানে ভর্তি করা হচ্ছে ৪ শতাধিক প্রশিক্ষণার্থীকে।
প্রতি ব্যাচে ৬ জন প্রশিক্ষক থাকার নিয়ম থাকলেও বর্তমানে মাত্র ২ জন প্রশিক্ষক দিয়ে ৪০০ জনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। একাধিক প্রশিক্ষণার্থী জানান, "এখানে সিট আছে ২০০, লোক আছে ৪০০ প্লাস, তাই বাইরে থেকে ক্লাস করতেছে সবাই।"
প্রশিক্ষণার্থী রিফাত মজুমদার বলেন, "আমরা দাঁড়িয়ে রইছি, আমরা টাকা দিয়ে এখানে ট্রেনিং নিতে এসেছি, কিন্তু সিট পাইতাছি না। এখানে লোক বসতে পারবে ২০০, স্যারেরা ভর্তি নিছে ১০০০ এর উপরে।" তিনি আরও জানান, "এই প্রশিক্ষণ কীভাবে কাজে আসবে? আমরা তো কিছু শিখতে পারতেছি না।"
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক প্রশিক্ষণার্থী বলেন, "যতটুকু বুঝি, আমাদের তিন দিনের ট্রেনিংটা খুবই প্রয়োজন। কিন্তু আমি আজকেসহ দ্বিতীয় দিন আসছি। প্রথম দিনেও বসতে পারি নাই।"
চাঁদপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আগস্ট মাসে ৮০০ সিটের বিপরীতে ২ হাজার ২১০ জন প্রশিক্ষণে ভর্তি হয়েছেন। সঠিক প্রশিক্ষণ না নিয়ে বিদেশ গেলে কর্মীরা বিভিন্ন সমস্যা সম্মুখীন হতে পারেন।
প্রশিক্ষণ নিতে আসা আরিফুল ইসলাম বলেন, "এখন বাইরে আছি। আসছি তো ভেতরের ট্রেনিংয়ে, ভেতরে জায়গা নাই। ওয়াশরুমের অবস্থা খুবই খারাপ।"
লোকমান বেপারী বলেন, "ট্রেনিং করার অনেক উপকার আছে। যারা নতুন তাদের জন্য অনেক কিছু শিখায়।"
অধ্যক্ষ শিরিন আক্তার জানান, বাড়তি প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য কিছু চেয়ার ব্যবস্থা করার কথা বললেও অনেকেই বাতাস খেতে বাহিরে ছুটে যান।