ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের (পেন্টাগন) খরচ ৩৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে কংগ্রেশনাল বাজেট অফিস (সিবিও)।
সিবিওর প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১ আগস্ট পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় ৩৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি হয়েছে এবং যুদ্ধ চলতে থাকলে প্রতি মাসে আরও ৩ বিলিয়ন ডলার বা তার বেশি খরচ হতে পারে।
প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে যে, এই যুদ্ধ ২০২৭ সালের প্রথম প্রান্তিক পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে মূল্যস্ফীতি আগের পূর্বাভাসের তুলনায় প্রায় ০.৫ শতাংশ পয়েন্ট বেশি হতে পারে।
সিবিও জানায়, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ার কারণে জ্বালানি ও পণ্যের দামে চাপ তৈরি হচ্ছে।
প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের বাজেট কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট ব্রেন্ডন বয়েলের অনুরোধে। এতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের আগের হিসাবের সঙ্গেও মিল রয়েছে।
ব্রেন্ডন বয়েল বলেন, যুদ্ধের মানবিক ক্ষতির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের ওপর এর আর্থিক চাপও বাড়ছে। আগামী মধ্যবর্তী নির্বাচনে যুদ্ধ ও মূল্যস্ফীতি বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে উঠেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধ এখন সপ্তম মাসে পড়েছে, তবে দ্রুত সমাধানের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
সিবিও জানিয়েছে, পেন্টাগন তাদের এই প্রতিবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করেনি, ফলে সরকারি তথ্যভান্ডার ও প্রকাশিত প্রতিবেদন ব্যবহার করে হিসাব করা হয়েছে।
এদিকে, পেন্টাগনের মহাপরিদর্শকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সামরিক মজুতেও ঘাটতি তৈরি হয়েছে।