বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ব্রেকিং
রাজনীতি

সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে স্কেল: প্রজ্ঞাপন জারির অপেক্ষা

সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে স্কেল নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারির অপেক্ষা চলছে।

সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে স্কেল: প্রজ্ঞাপন জারির অপেক্ষা

সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে স্কেল নিয়ে অপেক্ষার প্রহর যেন শেষ হচ্ছে না। মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের ১৫ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও জারি হয়নি প্রজ্ঞাপন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নতুন পে স্কেলের বিভিন্ন দিক এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর ভেটিংয়ের জন্য প্রস্তাবটি যাবে আইন মন্ত্রণালয়ে।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানান, পে স্কেল বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপ যথাযথভাবে সম্পন্ন হচ্ছে। তিনি বলেন, “এটি বাস্তবায়ন হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই।” ২০১৫ সালে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সর্বশেষ জাতীয় বেতন কাঠামো ঘোষণা করা হয়েছিল।

গত ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভায় নতুন পে স্কেল অনুমোদনের পর দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে, এমন আভাস পাওয়া গিয়েছিল। তবে ১৫ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও তা জারি হয়নি। অর্থ বিভাগ খসড়া প্রজ্ঞাপন তৈরির কাজ পুরোদমে এগিয়ে নিচ্ছে।

সরকারি কর্মচারীদের বিভিন্ন শ্রেণি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য পাঁচটি আলাদা বিশেষ আদেশ বা এসআরও জারি করা হতে পারে। মন্ত্রিসভা মূলত কোন গ্রেডে কত টাকা বেতন-ভাতা বাড়ানো হবে, সে বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছে। বর্তমানে ২০টি গ্রেড বহাল রেখে নতুন পে স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন ২০ হাজার ও সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সাবেক সচিব আব্দুল আউয়াল মজুমদার বলেন, প্রজ্ঞাপনের খসড়ায় লেখা বিভিন্ন শব্দ, বাক্য ও আইনি পরিভাষা খতিয়ে দেখা জরুরি। তিনি জানান, যে সরকার কোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে পারবে না, তাদের উচিত নয় পরবর্তী সরকারের জন্য সেই সিদ্ধান্ত রেখে যাওয়া।

বিএনপি সরকার নির্বাচনী ইশতেহারে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের জন্য ‘ওয়ান র‍্যাংক, ওয়ান পেনশন’ পদ্ধতি চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে ২০১৯ সালের আগে অবসর নেওয়া বেসামরিক কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকায়, এ ব্যবস্থা ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন