শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ব্রেকিং
জাতীয়

আবহাওয়া অধিদপ্তরের রাডার অচল, পূর্বাভাসে চ্যালেঞ্জ

আবহাওয়া অধিদপ্তরের দুটি রাডার অকার্যকর, পূর্বাভাসে চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের রাডার অচল, পূর্বাভাসে চ্যালেঞ্জ

দেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের দুটি রাডার অকার্যকর থাকায় কক্সাবাজার ও খেপুপাড়ার গভীর সমুদ্রের আবহাওয়া তথ্য সরাসরি পাওয়া যাচ্ছে না। বর্তমানে পূর্বাভাস দেওয়ার কাজ চলছে দুটি কার্যকর রাডারের তথ্য নিয়ে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের দাবি, গাণিতিক মডেল ও আড়াই শতাধিক সয়ংক্রিয় স্টেশনের তথ্য ব্যবহার করে শতভাগ সঠিক পূর্বাভাস প্রদান করা সম্ভব। তবে আবহাওয়াবিদ ও গবেষকরা দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলে দ্রুত নতুন রাডার স্টেশন স্থাপনের তাগিদ দিয়েছেন।

প্রাচীনকাল থেকে বাংলায় আবহাওয়া পূর্বাভাসের প্রচলন রয়েছে, যেখানে কৃষক বাতাসের গতিবেগ, পাখি, পিঁপড়া, ব্যাঙ, চাঁদ ও সূর্যের গতিবিধি দেখে বৃষ্টি বা খরার পূর্বাভাস পেতেন। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হওয়ার পর থেকে আবহাওয়া পূর্বাভাসের মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, বর্তমানে তারা জাপান, কোরিয়া ও চীনের স্যাটেলাইটের তথ্য ব্যবহার করছেন। তবে কক্সবাজার, খেপুপাড়া এবং মৌলভীবাজারের রাডার দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট থাকায় পূর্বাভাসের নির্ভুলতা কমেছে।

জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক বলেন, “আমরা পাঁচ দিনের পূর্বাভাস ও আউটলুট দিয়ে থাকি। পূর্বাভাসে কিছু ত্রুটি থাকবেই, তবে আমাদের লক্ষ্য হলো ত্রুটি কমানো।”

প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির উপচার্য ড. আব্দুল মান্নান চৌধুরী বলেন, “বেশি রাডার থাকলে পূর্বাভাসের মান আরও ভালো হবে।” দেশের ২৭৫টি স্বয়ংক্রিয় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে আবহাওয়ার তথ্য সংগ্রহ করে একটি ডেটা সেন্টার গড়ে উঠেছে, যেখানে স্যাটেলাইট তথ্যও জমা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন