ভোলার দ্বীপ উপজেলা মনপুরায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। জোয়ারের সময় নোনা পানিতে প্লাবিত হচ্ছে লোকালয়, যা ফসলি জমির ক্ষতি করছে।
এলাকাবাসী অভিযোগ করছেন, বাঁধের নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়ার জন্য ঠিকাদারদের গাফিলতি এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের তদারকির অভাব দায়ী। মনপুরা দ্বীপ জেলা ভোলার মেঘনা বেষ্টিত একটি বিচ্ছিন্ন উপজেলা, যা পর্যটন এলাকা হিসেবে পরিচিত।
১৯৮৫ সালে ৩টি পোল্ডারের মাধ্যমে নির্মিত বাঁধের কারণে স্থানীয়দের রক্ষা করা হয়। কিন্তু পুরোনো বাঁধগুলো সরু ও নিচু হওয়ায় জোয়ারের পানিতে লোকালয় প্লাবিত হতো। এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য ২০২২ সালে ৫০ দশমিক ৭ কিলোমিটার নতুন টেকসই বাঁধ নির্মাণের মেগা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়।
প্রকল্পের কাজের ধীরগতির কারণে ক্ষুব্ধ মনপুরাবাসী। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, প্রকল্পের মেয়াদ আরও ১ বছর বাড়ানো হয়েছে এবং এ সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা সম্ভব হবে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড ভোলা সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মুহাম্মদ হাসানুজ্জাম বলেন, ‘বিভিন্ন জটিলতার কারণে নির্ধারিত সময়ে কাজটি সম্পন্ন করা যায়নি। তবে ইতোমধ্যে অনেক অগ্রগতি হয়েছে।' তিনি আশা প্রকাশ করেন, ‘এই সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করা সম্ভব হবে।’
১ হাজার ৯২ কোটি টাকা ব্যয়ে উপকূলীয় বাঁধ ও তীর সংরক্ষণের কাজের জন্য নির্ধারিত সময় শেষ না হওয়ায় স্থানীয় কৃষকদের ফসলি জমি নষ্ট হচ্ছে।