নেপালের চিতওয়ান জেলায় বন্যা ও ভূমিধসের ফলে উদ্ধারকৃত মরদেহগুলোর সৎকার নিয়ে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনেক মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করতে না পারায় গণকবর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে দেবঘাট জঙ্গলে খোঁড়া হয়েছে শতাধিক কবর। উদ্ধারকৃত মরদেহগুলোর মধ্যে কিছু রসুয়া থেকে বন্যার পানির সঙ্গে ভেসে এসেছে, যাদের পরিচয় পাঁচ দিন পরেও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
নেপালের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক প্রটোকল অনুসরণ করে এই প্রক্রিয়া চলছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ অনুযায়ী, মরদেহগুলোকে এমনভাবে সংরক্ষণ করতে হবে যাতে স্বজনেরা পরে এসে পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেন।
এদিকে, কর্তৃপক্ষের জন্য বিপুলসংখ্যক মরদেহ নিরাপদে সংরক্ষণ এবং সৎকারের ব্যবস্থা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। সময় বাড়ার সঙ্গে মরদেহে পচন ও সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
বিশেষজ্ঞরা ধর্মীয় রীতিনীতির বিষয়টিও বিবেচনায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। কর্তৃপক্ষ মরদেহগুলোর সৎকারের সময় এই বিষয়গুলোর প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দিচ্ছে।