কক্সবাজারে অবৈধ মিলে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) খাদ্য সহায়তার চালের বস্তা পাওয়া গেছে, যা রোহিঙ্গাদের জন্য বিতরণ করা হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছে, এই চাল রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে কম দামে কিনে নিয়ে মজুত ও প্যাকেটজাত করা হয়েছে।
সদর, উখিয়া ও চকরিয়ার বিভিন্ন অবৈধ মিলে ডব্লিউএফপির চাল পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ক্যাম্পের চাল কীভাবে বাইরে যাচ্ছে এবং কারা তা কিনছে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নিম্নমানের চাল ক্যাম্পে পাঠাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্রতিবেদককে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন মিলমালিক ফজল করিম। ডব্লিউএফপির কেন্দ্রে গেলে সেখানকার কর্মীরা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন। একজন আউটলেট কর্মী জানান, ‘আমার কথা বলতে অনুমতি লাগবে।’
রোহিঙ্গারা জানান, বিতরণ করা চালের মান খারাপ হওয়ায় তারা তা বিক্রি করে দেন। একজন রোহিঙ্গা বলেন, ‘আমাদের মাসে ১৩ কেজি চাল দেওয়া হয়, কিন্তু এই চালগুলো আমাদের খেতে পারি না।’
শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মিজানুর রহমান জানান, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খাদ্য বিভাগের নজরদারি নেই বলে জানান তিনি।
কক্সবাজারের জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আবু কাউছার বলেন, ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আমাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। তারা নিজেদের মতো করে টেন্ডার করে এবং সাপ্লাই নেয়।’ ডব্লিউএফপি কক্সবাজার ও ভাসানচরের প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে।