বিদায়ী সপ্তাহে দেশের দুই পুঁজিবাজারে নেতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সূচক ১৩০ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৬৫৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
ডিএসইতে বাজার মূলধন ৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি কমে গেছে। সপ্তাহজুড়ে প্রায় ৮৮ শতাংশ কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দাম হ্রাস পেয়েছে।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) এর সার্বিক সূচক ৩২৪ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ১৬৬ পয়েন্টে পৌঁছেছে। সিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৪৬ কোটি ৫২ লাখ টাকা।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে গত সপ্তাহে ৪ দিনের মধ্যে ৩ কার্যদিবসই সূচক কমেছে। মোট ২ হাজার ২৮৬ কোটি ৮৫ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে, যা আগের সপ্তাহের ৪ হাজার ৫২৮ কোটি ৫৫ লাখ টাকার তুলনায় কম।
বাজার মূলধন গত সপ্তাহে ৬ লাখ ৯৭ হাজার ৩১৮ কোটি টাকা থেকে ৬ লাখ ৯০ হাজার ৮২৪ কোটি টাকায় নেমেছে। শতাংশের হিসেবে এটি দশমিক নয় দুই শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
হাতবদলে অংশ নেওয়া ৩৮৮টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ৩৪২টির শেয়ারের দাম কমেছে, মাত্র ৩৫টির দাম বেড়েছে এবং ১১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
সপ্তাহজুড়ে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে শার্প ইন্ডাস্ট্রিজের, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সায়হাম টেক্সটাইল এবং তৃতীয় অবস্থানে রানার অটোমোবাইলস।
দর বৃদ্ধির ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, যার শেয়ার দর বেড়েছে ১১ দশমিক তিন চার শতাংশ।