যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে, যার লক্ষ্য তেল খাতসহ ইরানের সব ধরনের আয়ের উৎস বন্ধ করা এবং অন্যান্য দেশ ও প্রতিষ্ঠানকে তেহরানের সঙ্গে ব্যবসা থেকে বিরত রাখা।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, ‘এটি অর্থনৈতিক ডি-ডে’ এবং ইরানের তেল চোরাচালান এবং নিষেধাজ্ঞা এড়াতে পারে এমন প্রতিটি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নতুন নিষেধাজ্ঞায় ইরানের ডিজিটাল সম্পদ, প্রযুক্তি, স্বর্ণ, বিমান চলাচল ও নৌপরিবহনের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতকে লক্ষ্য করা হয়েছে।
ইরানের অর্থমন্ত্রী আলী মাদানিজাদেহ জানান, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে তেহরান প্রস্তুত রয়েছে এবং তারা দুই বছরের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। তিনি বলেন, ‘মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলায় আমাদের সরকারের পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে।’
এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি মার্কিন চাপকে গুরুত্ব না দিয়ে বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা নতুন কিছু নয়; পুরোনো পরিকল্পনাই বারবার সামনে আনা হচ্ছে।’
নতুন নিষেধাজ্ঞায় ৬০ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, হংকং, সিঙ্গাপুর ও সুইজারল্যান্ডের কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
সিনেটর ক্রিস মারফি মার্কিন পদক্ষেপকে লোকদেখানো আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘এর মূল্য সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের দিতে হচ্ছে।’