রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অধিকতর তদন্ত ও দ্রুত চার্জশিট দেওয়ার জন্য তদন্ত সংস্থা পরিবর্তন করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী। এর আগে মামলাটির তদন্ত করছিল কোতয়ালী থানা-পুলিশ।
ডিবির উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, সোমবার বিকেলে কোতয়ালী থানার পরিদর্শক তদন্ত মিলন চ্যাটার্জী মামলার নথিপত্র ও প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত নতুন তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির ওসি জিন্নাত আলীর কাছে হস্তান্তর করেন।
পরে দুই কর্মকর্তা ঘটনাস্থল মাছুয়াপাড়ায় শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েলের বাড়ি পরিদর্শন করেন। ডিবি জানিয়েছে, দুই আসামির ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে নতুন কিছু তথ্য এসেছে, যা যাচাই করতে তারা অধিকতর তদন্ত করবে।
গত শনিবার রংপুর জেলা শহরের মাছুয়াপাড়া এলাকার বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী, মেয়ে ও ১২ বছরের ছেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই যুবক হত্যার দায় স্বীকার করেছে এবং তাদের দাবি, মাদক সেবনে বাধা দেওয়ার কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।