ফরিদপুর ও চুয়াডাঙ্গায় এবার পাটের ফলন ভালো হলেও, কৃষকরা ন্যায্য দাম না পাওয়ার আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে তারা লোকসানের শঙ্কা করছেন।
কৃষকরা জানান, বীজ, সার এবং শ্রমিকের মজুরি সব মিলিয়ে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। ফরিদপুরের কৃষকরা সোনালী আঁশ ঘরে তুলতে ব্যস্ত রয়েছেন। তারা বলেন, উৎপাদন খরচ আগের তুলনায় কয়েকগুণ বেড়ে গেছে, কিন্তু সেই তুলনায় দাম বাড়েনি।
চুয়াডাঙ্গায় পাটের ফলন ভালো হলেও, পানির অভাবের কারণে জাগ দিতে গিয়ে অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে কৃষকদের। বিঘাপ্রতি পাট চাষে প্রায় ২০ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে বলে জানান তারা।
ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (উদ্যান) ফরহাদুল মিরাজ বলেন, ‘বর্তমানে দাম কম থাকলেও, পাট সংরক্ষণ করা গেলে পরবর্তীতে ভালো দাম পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’
কৃষকেরা সরকারের কাছে সোনালি আঁশের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।