রাজবাড়ীতে পাটের ফলন সন্তোষজনক হলেও কৃষকেরা দাম নিয়ে শঙ্কিত। আবহাওয়ার অনুকূলতা ও সঠিক পরিচর্যায় পাটের ফলন ভালো হলেও পানির অভাবে পাট জাগ দেওয়ার সমস্যা দেখা দিয়েছে। কৃষকেরা জানান, সরকারিভাবে পাটের দাম নির্ধারণ করা হলে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
কৃষকেরা প্রতিমণ পাটের জন্য ন্যূনতম সাড়ে ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানাচ্ছেন। জানা যায়, এবারে জমি প্রস্তুত, বীজ বপন, কীটনাশক প্রয়োগ ও শ্রমিকের মজুরিসহ এক বিঘা জমিতে পাট চাষে খরচ হয়েছে প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। মাঠের অবস্থা অনুযায়ী, বিঘাপ্রতি গড়ে ৬ থেকে ৮ মণ পর্যন্ত ফলন পাওয়ার আশা করছেন চাষিরা।
তবে উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজারে পাটের দাম কম হলে কৃষকরা আর্থিকভাবে লোকসানের মুখে পড়বেন এবং চাষাবাদে আগ্রহ হারাবেন। জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা জানান, এখনও সরকারিভাবে পাটের মূল্য নির্ধারণের বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে কৃষক পর্যায় থেকে উৎপাদন খরচ জানিয়ে আগস্ট মাসে কৃষি বিপণন অধিদফতরে প্রতিবেদন পাঠানো হবে।
রাজবাড়ী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জানায়, এ বছর জেলায় পাট আবাদ হয়েছে ৪৭ হাজার ৭৮০ হেক্টর জমিতে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ৫০০ হেক্টর বেশি। এর মধ্যে পাংশা, বালিয়াকান্দি ও কালুখালীতে সর্বাধিক আবাদ হয়েছে।