রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬
ব্রেকিং
রাজনীতি

ইরান ইস্যুতে মার্কিন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

ইরান ইস্যুতে মার্কিন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জীবননাশের সম্ভাব্য হুমকি নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। ইসরায়েলি গোয়েন্দা তথ্যের ওপর আমেরিকার আস্থা কমছে, কারণ মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এসব তথ্যের সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি।

ইসরায়েল এক বছরেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে আসছে যে ইরান ট্রাম্পকে হত্যার চেষ্টা করতে পারে। তবে, এই গোয়েন্দা তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করার জন্য মার্কিন কর্মকর্তাদের কাছে কোনও প্রমাণ নেই।

সম্প্রতি, ন্যাটো সম্মেলন থেকে ফেরার সময় ট্রাম্পকে এয়ারফোর্স ওয়ান থেকে গোপনে অন্য একটি বিমানে সরিয়ে নেওয়া হয়। সূত্র জানায়, ইসরায়েল সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে হোয়াইট হাউসকে সতর্ক করেছিল।

এতে আশঙ্কা করা হয়েছিল যে, ইরান স্নাইপার হামলা, জনসমাগমে আক্রমণ কিংবা আকাশপথে হামলার মতো পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারে। তবে মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা এসব তথ্যকে কম নির্ভরযোগ্য হিসেবে দেখছেন।

ন্যাটো সম্মেলনের আগে তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো হামলার পরিকল্পনার প্রমাণ পায়নি, তবে প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সিক্রেট সার্ভিস আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে, যদি গোয়েন্দা তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করা না যায়, তাহলে কেন এত বড় নিরাপত্তা পদক্ষেপ নেওয়া হলো? বিশ্লেষকরা বলছেন, রাষ্ট্রপ্রধানের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সম্ভাব্য হুমকির ঝুঁকি অনেক সময় নিশ্চিত তথ্যের চেয়েও বেশি গুরুত্ব পায়।

এদিকে, এই বিতর্কের মধ্যে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট। তাঁর পদত্যাগ ঘিরেও নানা গুঞ্জন তৈরি হয়েছে। অনেকের ধারণা, ট্রাম্পের বিমান এয়ারফোর্স ওয়ানে অন্যান্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনি অবস্থান করছিলেন।

বিজ্ঞাপন