বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সরকারি দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন। তিনি দেশের জনপ্রিয় রাজনীতিবিদদের একজন এবং গত চার দশক ধরে রাজপথের আন্দোলন ও দলের সাংগঠনিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।
মির্জা ফখরুল ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে জাতিকে সংকটময় মুহূর্তে পথ দেখিয়েছেন। তিনি শিক্ষকতা থেকে শুরু করে রাজপথ, সংসদ ও মন্ত্রিসভা পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। বর্তমানে তিনি রাষ্ট্রপতি পদে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও জেলায় জন্মগ্রহণ করা মির্জা ফখরুলের রাজনৈতিক জীবন রাজপথে শুরু হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি পড়াশোনা শেষে শিক্ষকতা পেশায় যোগ দেন। আশির দশকে বিএনপিতে যোগদান করে ১৯৯২ সালে ঠাকুরগাঁও জেলা সভাপতি নির্বাচিত হন।
২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তিনি কৃষি প্রতিমন্ত্রী ও পরে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালে বগুড়া-৬ আসনে আবারও নির্বাচিত হন। ২০১৩ সালে ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’ কর্মসূচিতে প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করেন।
২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর বিএনপির ঢাকা মহাসমাবেশের প্রেক্ষিতে মির্জা ফখরুলকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং কয়েকটি মামলায় আসামি করা হয়। আন্দোলন ও সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি দেশের রাজনীতিতে এক অনন্য ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন। তার রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি বিরল মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।