দক্ষিণ ঢাকার প্রায় সব ওয়ার্ডে নির্ধারিত চাঁদার চেয়ে বেশি ময়লার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই অনিয়মের ফলে বছরে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা আয় হচ্ছে ঠিকাদারদের। অথচ, দক্ষিণ সিটি করপোরেশন পায় মাত্র ১২ কোটি টাকা।
ঢাকা শহরে প্রতিদিন প্রায় ৮ হাজার টন বর্জ্য জমা হয়, যা একটি শ্রেণির কাছে টাকার খনি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দক্ষিণ ঢাকায় অন্তত ২ লাখ ৯৪ হাজার হোল্ডিং রয়েছে। প্রতিটি হোল্ডিংয়ে গড়ে ৮টি করে ফ্ল্যাট থাকলে, এখান থেকে আয় অন্তত সাড়ে ২৩ কোটি টাকা হতে পারে।
সিটি করপোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, বছরে মোট আয় ২৮২ কোটি ২৪ লাখ টাকা। এই ময়লা বাণিজ্যের কারণে প্রায়ই সংঘর্ষ ও হত্যার ঘটনা ঘটছে। কাঁঠালবাগানের বাসিন্দারা জানান, ময়লা সংগ্রহ না হলে মাসে ২০০ টাকা বিল দিতে হয়, কিন্তু তারা ভয়ে কিছু বলতে পারছেন না।
ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম জানিয়েছেন, ১০০ টাকার বেশি বিল নিলে এবং নিয়মিত ময়লা না সরালে লাইসেন্স বাতিল করা হবে। তবে ঠিকাদাররা এই হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করছেন, কারণ অভিযোগের পরেও সিটি করপোরেশন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
নগর পরিকল্পনাবিদ আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় রাজনৈতিক নিয়োগ বন্ধ না হলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে না।