রবিবার, ০২ আগস্ট, ২০২৬
ব্রেকিং
আন্তর্জাতিক

ইসরায়েলে আরও ১০ মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান পৌঁছেছে

ইসরায়েলে আরও ১০টি মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান পৌঁছেছে, বিমান চলাচলে চাপ বাড়ছে।

ইসরায়েলে আরও ১০ মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান পৌঁছেছে

ইরানের বিরুদ্ধে উত্তেজনা বাড়ার প্রেক্ষাপটে, ইসরায়েলের প্রধান বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের উদ্দেশে আরও ১০টি মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান রওনা হয়েছে। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদুলু এজেন্সি এ তথ্য জানিয়েছে। নতুন বিমানগুলো পৌঁছালে বিমানবন্দরে মার্কিন রিফুয়েলিং বিমানের সংখ্যা ৪০-এ পৌঁছাবে।

শনিবার (১ আগস্ট) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ইসরায়েলি দৈনিক ক্যালকালিস্ট জানায়, নতুন ১০টি বিমান ইতোমধ্যে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবস্থান করা ৩০টি মার্কিন রিফুয়েলিং বিমানের সঙ্গে যুক্ত হবে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে বলা হয়, এত বিপুল সংখ্যক সামরিক বিমান উপস্থিতিতে বিমানবন্দরের পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য চাপ তৈরি হচ্ছে, যার ফলে বেসামরিক ফ্লাইট গড়ে প্রায় দুই ঘণ্টা বিলম্বিত হচ্ছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, জুলাই ও আগস্ট মাস ইসরায়েলের বিমান চলাচলের সবচেয়ে ব্যস্ত সময় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অতিরিক্ত সামরিক কার্যক্রম বেসামরিক বিমান পরিচালনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এর আগে, ১৫ জুলাই, ইসরায়েলের পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল যে, ২১ জুলাইয়ের মধ্যে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে মার্কিন রিফুয়েলিং বিমানের সংখ্যা ২০-এ নামিয়ে আনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সমঝোতা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন স্থানে মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান মোতায়েন রয়েছে।

এদিকে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনার মধ্যেই ইসরায়েলি গণমাধ্যমে সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হচ্ছে। শনিবার দেশটির বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানায়, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য বড় ধরনের হামলার আশঙ্কায় তেলআবিবের প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলো প্রস্তুতি জোরদার করছে।

গত শুক্রবার (৩১ জুলাই) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ‘খুব কঠোর’ হামলা চালাবে। তবে, দুই দিন পর তিনি হামলার সিদ্ধান্ত বাতিল করেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন যে, ‘দ্রুত’ একটি চুক্তিতে সম্মত হওয়ার শর্তে ইরানের ওপর হামলার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন।

বিজ্ঞাপন