২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ উপলক্ষে সাময়িক ভিসায় কানাডায় গিয়ে ১৭৫ দর্শনার্থী রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন। এদের মধ্যে ১০ জন বাংলাদেশিও রয়েছেন।
‘ইমিগ্রেশন, রিফিউজিস অ্যান্ড সিটিজেনশিপ কানাডা’ (আইআরসিসি) কর্তৃক প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০ জুলাই পর্যন্ত ১৭৫ জন দর্শনার্থী আশ্রয়ের আবেদন জমা দিয়েছেন। এদের মধ্যে বাংলাদেশের পাশাপাশি ঘানা, নাইজেরিয়া, সেনেগালসহ কয়েকটি দেশের নাগরিকরাও আছেন।
কানাডা বিশ্বকাপে জুন ও জুলাই মাসে ১৩টি ম্যাচ আয়োজন করেছে এবং ২৬ হাজারেরও বেশি ভিসা ইস্যু করা হয়েছে। দর্শনার্থীরা তাদের অস্থায়ী বসবাসের আবেদনে বিশ্বকাপ দর্শক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
আশ্রয়প্রার্থীদের মধ্যে কতজন ফুটবল খেলোয়াড় বা কর্মকর্তা রয়েছেন, তা প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে অভিবাসন বিভাগ। তবে ঘানা থেকে সর্বাধিক ২৫ জন নাগরিক শরণার্থী হিসেবে আবেদন করেছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এমন কিছু দেশ থেকেও আশ্রয়প্রার্থীরা এসেছেন যাদের জাতীয় দল বিশ্বকাপের জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। এর মধ্যে ১৫ জন কেনিয়ান, ১০ জন চীনা নাগরিক, ১০ জন বাংলাদেশি এবং ১০ জন নাইজেরিয়ান রয়েছেন।
কানাডিয়ান কর্তৃপক্ষ বিশ্বকাপ শেষে দর্শনার্থীদের দেশ ত্যাগ নিশ্চিত করতে সতর্ক ছিল। কর্মকর্তারা জানিয়েছে, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই আবেদনকারীদের অবস্থান বাড়লে আশ্রয়ের আবেদন সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
টরন্টোর অভিবাসন আইনজীবী স্টিফেন গ্রিন জানান, সরকার এই প্রক্রিয়া কার্যকরভাবে পরিচালনা করেছে এবং আশ্রয় প্রার্থনার সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম ছিল। কানাডা ক্রীড়া ইভেন্টকে কেন্দ্র করে আশ্রয় প্রার্থনার ঘটনা ঘটানোর ক্ষেত্রে প্রথম দেশ নয়; এর আগে ২০১০ সালের শীতকালীন অলিম্পিক এবং ২০১২ সালের অলিম্পিক গেমসে একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল।