রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬
ব্রেকিং
জাতীয়

চট্টগ্রাম বন্দরে বেড়েছে জলদস্যুতা, ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে জলদস্যুতার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরে বেড়েছে জলদস্যুতা, ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে জলদস্যুতার ঘটনা বেড়ে গেছে। চলতি মাসেই বিদেশি জাহাজে অন্তত তিনটি দস্যুতার অভিযোগ উঠেছে, যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ।

ব্যবসায়ীদের শঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানিগুলোর আস্থা কমবে, ফলে বাড়বে বীমা ব্যয় ও পণ্য পরিবহনের খরচ। গত ২৯ জুন মধ্যরাতে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরের চার্লি অ্যাংকরেজে পৌঁছায় এমভি হাই জু। সীতাকুণ্ডের ডায়নামিক শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ডে ভাঙার জন্য আনা হয় জাহাজটি।

আমদানিকারকের অভিযোগ, রাত প্রায় পৌনে দুইটায় ২০-২৫ জনের একটি দল জাহাজে ওঠে। এরপর নাবিকদের জিম্মি করে নিয়ে যায় স্পেয়ার পার্টসসহ প্রায় এক কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন সরঞ্জাম। বাংলাদেশ মার্চেন্ট মেরিন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি মো. আনাম চৌধুরী জানান, সাম্প্রতিক সময়ে চুরি ও দস্যুতা আবার মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে।

তিনি বলেন, সংঘবদ্ধ দলটি জাহাজ থেকে মূল্যবান যন্ত্রাংশ লুট করছে, যা বর্হিবিশ্বে বন্দরের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। বন্দরের বহির্নোঙর ও জলসীমা এলাকায় নিরাপত্তায় যৌথভাবে কাজ করছে কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনী ও নৌ-পুলিশ।

কোস্টগার্ড (পূর্ব জোন) জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, প্রাকৃতিক বাধা, অননুমোদিত নৌ-যানের অহরহ চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণহীন জেলে নৌকাসহ নানা কারণে পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা দেওয়া চ্যালেঞ্জিং।

এছাড়া, জাহাজের স্থানীয় এজেন্টদের অনিয়ম ও গাফেলতির বিষয়টিও উল্লেখ করেন তিনি। সম্প্রতি এই দস্যুতার ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়ে নৌ–পরিবহন মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ।

বিজ্ঞাপন