মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬
ব্রেকিং
অর্থনীতি

জ্বালানি সংকটে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত

গ্যাসের অভাবে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অভিযোগ ব্যবসায়ীদের।

জ্বালানি সংকটে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত

গ্যাসের অভাবে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, এমন অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা। তিতাস গ্যাসের কাছে নতুন ও প্রতিশ্রুত দেড় হাজারের বেশি শিল্প গ্রাহকের আবেদন জমা পড়েছে।

বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৪০০ কোটি ঘনফুটের বেশি হলেও সরবরাহ নেমে এসেছে ২৭০ কোটি ঘনফুটের নিচে। এর মধ্যে স্থানীয় গ্যাসের উত্তোলন ১৭০ কোটি ঘনফুট এবং আমদানির তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ১০০ কোটি ঘনফুট।

ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বারের সভাপতি রুপালী হক চৌধুরী জানান, শিল্পখাতে গ্যাসের অভাবে অনেক প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কমছে। নতুন কারখানা স্থাপনে যন্ত্রপাতি আমদানি করে বসে আছেন অনেক উদ্যোক্তা।

বিশেষজ্ঞরা জানান, শিল্পের সক্ষমতা সম্প্রসারণ থমকে গেছে, এবং তিতাসে নতুন সংযোগ ও গ্রাহকের আবেদনের চাহিদা পূরণে প্রয়োজন প্রায় ৭৮ কোটি ঘনফুট গ্যাস।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. ইজাজ হোসেন বলেন, গ্যাসের সিস্টেম লস ১১ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশের নিচে নামানো প্রয়োজন। এছাড়া রান্নার চুলায় ধাপে ধাপে গ্যাস বন্ধের তাগিদও দেওয়া হয়েছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানিয়েছেন, সরকার শিল্প ও বিদ্যুতের জন্য গ্যাস সরবরাহকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিচ্ছে। গত দেড় বছরে জ্বালানি মন্ত্রণালয় মাত্র ২৫টি শিল্প সংযোগে গ্যাস সরবরাহ অনুমোদন করেছে।

সরকার স্থলভাগে গ্যাস অনুসন্ধানে বাপেক্সের সক্ষমতা বাড়াতে কয়েকটি রিগ কেনার পরিকল্পনাও নিয়েছে।

বিজ্ঞাপন