বর্ষা মৌসুমে চলনবিলে অসাধু মৎস্য শিকারিদের পোনা মাছ নিধনের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহার করে নির্বিচারে পোনা মাছ ধরা হচ্ছে, যা পরে স্থানীয় হাটবাজারে বিক্রি করা হয়।
নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল দিয়ে বিভিন্ন জলজ প্রাণীও নিধন হচ্ছে। প্রশাসনের মাঝে মাঝে অভিযান পরিচালনা করা হলেও, শিকারিরা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, ফলে চলনবিলের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছে।
চলনবিল, যা দেশের সর্ববৃহৎ জলাভূমি, নাটোর, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলায় অবস্থিত। এখানে একসময় ১৩০ প্রজাতির মাছ পাওয়া যেত, বর্তমানে তা অর্ধেকে নেমে এসেছে। চায়না জাল ব্যবহার করে পুঁটি, টেংরা, শোল, টাকি সহ বিভিন্ন ধরনের পোনা মাছ শিকার করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাজারে পোনা মাছের বিক্রির হার বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয়রা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, আগে যেমন মাছ পাওয়া যেত, এখন তা নেই।
জেলেরা জানান, দারিদ্র্যের কারণে তারা পোনা মাছ আহরণে বাধ্য হচ্ছেন। সরকারি সহায়তা পেলে তারা জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রতিশ্রুতি দেন।
নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন জানান, চলনবিল ও হালতি বিলের জন্য বেশ কিছু অভিযান পরিচালিত হয়েছে। চায়না জাল জব্দ করে জরিমানা করা হয়েছে এবং মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কার্যক্রম চলমান রয়েছে।