ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো আগামী নির্বাচনে ৪র্থ মেয়াদে নির্বাচনের জন্য শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিফার ২১১টি সদস্য দেশের মধ্যে ২০০টিরও বেশি জাতীয় ফুটবল ফেডারেশন ইতোমধ্যে তার পুনর্নির্বাচনের পক্ষে আনুষ্ঠানিক সমর্থন জানিয়েছে।
এদিকে, ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থনপত্র পাঠায়নি মাত্র কয়েকটি দেশ, যার মধ্যে ইউরোপের কিছু দেশ রয়েছে। বিশেষ করে, জার্মান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ডিএফবি) এখনও আনুষ্ঠানিক সমর্থন দেয়নি। তবে ইংল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ) ইতোমধ্যে তার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।
ফিফা সভাপতির নির্বাচনে প্রার্থিতা জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৮ নভেম্বর। ওই সময়ের আগে সদস্য ফেডারেশন চাইলে তাদের সমর্থন প্রত্যাহার বা অন্য কোনো প্রার্থীর কাছে স্থানান্তর করতে পারবে। তবে, ইনফান্তিনোই এখন পর্যন্ত একমাত্র প্রার্থী।
কিছু ফুটবল ফেডারেশন অভিযোগ করেছে যে ফিফার ভেতর থেকে তাদের ওপর ইনফান্তিনোর প্রতি আনুগত্য নিশ্চিত করতে চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযোগ ফিফার নৈতিকতা বিধিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ড পুনর্বিবেচনার জন্য ফিফার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। বালোগানের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হওয়ায় ইউরোপীয় ফুটবল মহলে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
উয়েফা বিভিন্ন বিষয়ে ফিফার সমালোচনা করেছে, তবে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বিকল্প প্রার্থীকে সমর্থন করবে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপের সমর্থন ইনফান্তিনোর পুনর্নির্বাচনের জন্য অপরিহার্য নয়, কারণ আফ্রিকা, এশিয়া, কনকাকাফ ও অন্যান্য অঞ্চলের বিপুল সমর্থনই তাকে জয় এনে দিতে পারে।
আগামী শনিবার (১৮ জুলাই) নিউইয়র্কে ফিফার সদস্য ফেডারেশনগুলোর প্রতিনিধিরা কংগ্রেসে মিলিত হবেন, যেখানে ইনফান্তিনো সভায় সভাপতিত্ব করবেন। তবে সাম্প্রতিক বিতর্কগুলো আলোচ্যসূচিতে থাকার সম্ভাবনা কম।