রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬
ব্রেকিং
আন্তর্জাতিক

বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করার আহ্বান

বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন বিমসটেক মহাসচিব।

বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করার আহ্বান

বিমসটেক মহাসচিব ইন্দ্র মনি পান্ডে বলেছেন, আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের মাধ্যমে বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলা সম্ভব। দিল্লিতে ৩ দিনের জাতীয় নিরাপত্তা প্রধানদের বৈঠকের আগে যমুনা টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মহাসচিব জানান, বিমসটেক সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সড়ক যোগাযোগ ও ব্লু ইকোনোমি সম্প্রসারণে কাজ করছে। তিনি উল্লেখ করেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি করেছে।

এ পরিস্থিতিতে বিমসটেক আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে চায়। তিনি বলেন, "জ্বালানি, খাদ্য নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও সরবরাহ ব্যবস্থার মতো সংকট মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতাই এখন সবচেয়ে কার্যকর পথ।"

পান্ডে জানান, সদস্য রাষ্ট্রগুলো পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য নির্ধারিত খাতগুলো এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, "কয়েক বছর আগে ব্লু ইকোনমি আমাদের আঞ্চলিক সহযোগিতার নতুন খাত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।"

২০২২ সালে সদস্য রাষ্ট্রগুলো পরিবহন সংযোগের একটি মাস্টার প্ল্যান অনুমোদন করে। গত বছর এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সহযোগিতায় সেটি পর্যালোচনা করা হয় এবং প্রায় ৬০ শতাংশ প্রকল্প ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে।

এটি শুধু সড়ক ও স্থল যোগাযোগ নয়, সামুদ্রিক যোগাযোগ, বিমান যোগাযোগ, ডিজিটাল সংযোগ এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগও অন্তর্ভুক্ত। পান্ডে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কার্বন নিঃসরণ কমাতেও সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে কাজ করছে বিমসটেক।

তিনি আরও জানান, বিমসটেকের সব সদস্য জলবায়ু ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবের শিকার। এই সংকট মোকাবেলায় অভিযোজনমূলক উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কার্বন নিঃসরণ কমানোর কাজও চলছে।

বিমসটেকের মহাসচিব বলেন, সদস্য দেশগুলোর মধ্যে কার্যকর আঞ্চলিক সহযোগিতা গড়ে তুলতে পারলে তা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের লক্ষ্য বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, "বাংলাদেশসহ সদস্য সাতটি দেশের জনগণের কল্যাণ ও উন্নয়নেই কাজ করে যাচ্ছে বিমসটেক।"

বিজ্ঞাপন