দেড় বছরের তদন্ত শেষে শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞের মামলার প্রতিবেদন চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে জমা দিয়েছে তদন্ত সংস্থা। এতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক ডিএমপি কমিশনার বেনজীর আহমেদ, কয়েকজন সাংবাদিকসহ মোট ৪২ জনের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনার মধ্যে ২০১৩ সালে হেফাজতের সমাবেশ ঘিরে হত্যাযজ্ঞের মামলা সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে। শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার মাস দেড়েক পরই ৫০ জনকে অভিযুক্ত করে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করে হেফাজতে ইসলাম।
চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, ৫৮ জন নিহতের প্রমাণ মিলেছে। চলতি মাসের শুরুতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় তদন্ত সংস্থা। বর্তমানে প্রসিকিউটরদের একটি দল তা যাচাই-বাছাই করে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র প্রস্তুত করছে।
তদন্তে শেখ হাসিনা, হাসানুল হক ইনু, সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুসহ ৪২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯ জন ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন।
চিফ প্রসিকিউটর জানান, ২১ জুলাই ছুটি শেষে ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম আবার শুরু হবে এবং এরপর অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে। শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞের পাশাপাশি জুলাই মাসের হত্যাকাণ্ড ও গুমের অন্তত ১১টি মামলার জন্যও অভিযোগপত্র দাখিলের অপেক্ষা করা হচ্ছে।
সম্প্রতি সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, ট্রাইব্যুনালে বিচারপ্রক্রিয়া তরান্বিত করতে প্রয়োজনে আরেকটি আদালত গঠন করা হবে।