শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬
ব্রেকিং
ইরানে নতুন করে হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্রের ইরান বন্দর অবরোধ পুনরায় আরম্ভ, উপসাগরে হামলা অব্যাহত যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক পদক্ষেপ ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের ৭ ঘণ্টার হামলা, পাল্টা জবাব দিলো ইরান ব্যাটারি রিকশার ধাক্কায় ৩ বছরের নওরিনের মৃত্যু মার্কিন হামলার পর ইরানের প্রতিশোধ: গাল্ফে ট্যাঙ্কার লক্ষ্যবস্তু ব্যাংককে মিউজিক বারে আগুন: মৃতের সংখ্যা ৩০, তদন্ত চলছে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা অব্যাহত, পাল্টা প্রতিশোধের আশঙ্কা বন্যা ও পাহাড় ধসে সাত জেলায় প্রাণহানি বেড়ে ৫৪ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘর্ষ: জুলাই মাসে পরিস্থিতির পরিবর্তন
রাজনীতি

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার পরিণতি: আইন ও বিচারিক প্রক্রিয়া

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার পরিণতি আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে নিহিত।

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার পরিণতি: আইন ও বিচারিক প্রক্রিয়া

বাংলাদেশের রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি দুই বছর ভারতে অবস্থানের পর দেশে ফিরবেন, যা নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠেছে—দেশে ফিরে তাঁর ভাগ্যে কী ঘটতে পারে?

শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের সম্ভাবনা নেই, কারণ তিনি দণ্ডিত। দেশে ফিরলে তিনি গ্রেপ্তার আসামি হিসেবে বিবেচিত হবেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য তাঁকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেছে।

ট্রাইব্যুনালের রায় অনুযায়ী, শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকাণ্ডের জন্য দায় নির্ধারণ করা হয়েছে। তাঁদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

দেশে ফিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাঁকে গ্রেপ্তার করবে এবং আদালতে হাজির করবে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশে ফিরলেই তাঁকে আইনের আওতায় আনা হবে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আইন অনুযায়ী, দণ্ডিত ব্যক্তি রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবেন। তবে গ্রেপ্তারের পর বিলম্ব মার্জনার আবেদন করতে পারবেন। আদালত যদি বিলম্বের কারণ গ্রহণযোগ্য মনে করে, তাহলে আপিল শুনানির সুযোগ দিতে পারে।

এটি শুধু একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিচার নয়; বরং বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা ও আইনের শাসনের একটি বড় পরীক্ষা। স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনো সাবেক সরকারপ্রধান মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

শেখ হাসিনা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন। তবে রাষ্ট্রপক্ষের মতে, এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয়; বরং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার একটি বিচারিক প্রক্রিয়া।

শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন নতুন রাজনৈতিক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। তাঁর গ্রেপ্তার ও বিচারকে সরকার আইনের শাসনের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরছে, যা দেশ-বিদেশে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষিত হবে।

বিজ্ঞাপন