প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বুধবার (১৫ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে বলেন, "শহীদদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে ধনী-গরীব কোনও বৈষম্য থাকবে না। চরমপন্থা ও উগ্রবাদের কোনও ঠাঁই বাংলাদেশে হবে না।"
তিনি বিরোধী দলের সহযোগিতাও প্রত্যাশা করেন উগ্রবাদ ও চরমপন্থা রুখতে। সরকার বাংলাদেশকে ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বের করে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির দিকে এগিয়ে নিতে চায়।
তারেক রহমান জানান, "২০৩৪ সালে বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির কাছাকাছি যেতে পারে।" এ জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সম্পদ বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আমরা ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কাজ শুরু করেছি এবং প্রতিবছর পাঁচ কোটি বৃক্ষরোপণ করতে চাই।" তিনি জানান, ১০ হাজার নার্সারি গড়ে তোলা হবে, যার মাধ্যমে আড়াই লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
তিনি কৃষকদের ঋণ পরিশোধের বিষয়ে বলেন, "আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ পরিশোধ করবো।" এ পর্যন্ত ১৩ লাখ কৃষকের ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, "সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিটি খাতের কাজ ধীরে ধীরে শুরু হয়েছে।" তিনি একটি ইউনিভার্সেল কার্ডের মাধ্যমে সবকিছুকে একত্রিত করার পরিকল্পনা করছেন।
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের দায়বদ্ধতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "ফ্যাসিবাদের আমলে সকল প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়ে গেছে। শিক্ষা খাতে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ রাখা হয়েছে।"
তিনি জানান, শিক্ষকদের দক্ষতা বাড়াতে প্রতিবছর জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেয়া হবে।
স্বাস্থ্য খাতের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্বাস্থ্যখাত ধ্বংস করা হয়েছে।"