রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬
ব্রেকিং
অর্থনীতি

দেশে ৩০ ভাগ আম অপচয়, প্রক্রিয়াজাত পণ্যের তাগিদ

বাংলাদেশে প্রতি মৌসুমে ৩০ ভাগ আম অপচয় হচ্ছে, প্রক্রিয়াজাত পণ্যের উৎপাদনের তাগিদ উঠেছে।

দেশে ৩০ ভাগ আম অপচয়, প্রক্রিয়াজাত পণ্যের তাগিদ

বাংলাদেশে প্রতি মৌসুমে উৎপাদিত আমের প্রায় ৩০ ভাগ নষ্ট হচ্ছে। এ অবস্থায় আমের প্রক্রিয়াজাত পণ্যের উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ উঠেছে।

মে মাস থেকে বাজারে উঠতে শুরু করে আম, যা অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত থাকে। এবছর আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল প্রায় ২৮ লাখ টন, যার ২৫ থেকে ৩০ ভাগই নষ্ট হচ্ছে।

নওগাঁর সাপাহারে আমের গ্রেডিং, সর্টিং ও শোধন কেন্দ্রে কাঁচা-পাকা আম শুকানোর কাজ চলছে। দেশের জুস, বেকারি, আইসক্রিম ও ফুড প্রসেসিং শিল্পে প্রক্রিয়াজাত আম ব্যবহৃত হয়। তবে দেশে প্রক্রিয়াজাত করার পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকায় বিদেশ থেকে কাঁচামাল আমদানি করতে হয়।

উদ্যোক্তা সোহেল রানা বলেন, "হাজার কোটি টাকার ওপরে আম নষ্ট হচ্ছে। যদি আমরা এর একটা অংশ প্রসেসিং করতে পারি এবং রপ্তানির ব্যবস্থা করতে পারি, তাহলে দেশীয় অর্থনীতিতে উপকার হবে।"

রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, সাতক্ষীরা ও দিনাজপুর অঞ্চলে আমের উৎপাদন বাড়ছে। মৌসুমে কম দামে আম পাওয়া যায়, যা প্রক্রিয়াজাত শিল্পের জন্য সুবিধাজনক।

উদ্যোক্তা তারেক রহমান জানান, "আশ্বিনা আম বাজারে ৭ হাজার–৮ হাজার টাকা মণ বিক্রি হয়, অথচ প্রান্তিক চাষীরা এটি বিক্রি করছে ১,২০০ থেকে ১,৩০০ টাকা মণে।"

রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আরিফ রহমান বলেন, "আমের বাজারে চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত আম রয়েছে। যদি আমরা কিছু প্রসেসিংয়ে দিতে পারি, তাহলে চাষীরা লাভবান হবে।"

গবেষকরা জানান, সোলার প্যানেল-চালিত যন্ত্রে আমের প্রক্রিয়াজাত পণ্যের উৎপাদন বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে, বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায়।

বিজ্ঞাপন