২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সৃজনশীল অর্থনীতির জন্য ৮০০ কোটি টাকার কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছে সরকার। এ বিষয়ে পিপিআরসির এক আলোচনা অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্টরা বলেন, সৃজনশীল অর্থনীতিকে শুধুমাত্র শিল্প বা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড হিসেবে দেখা উচিত নয়।
তারা জানান, সৃজনশীল অর্থনীতিকে অর্থনীতির একটি পূর্ণাঙ্গ উৎপাদনশীল খাত হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। খাতসংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, কপিরাইট সুরক্ষার দুর্বলতা, ডিজিটাল লেনদেনে জটিলতা এবং উচ্চ করহার সৃজনশীল শিল্পের বিকাশে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তাদের মতে, সরকারের একটি কেন্দ্রীয় কপিরাইট ও রয়্যালটি প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা এবং আন্তর্জাতিক মানের অবকাঠামো নির্মাণ করা উচিত। বিশ্লেষকদের মতে, ক্রিয়েটিভ ইকোনমির সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে প্রয়োজন ধারণাগত স্বচ্ছতা, রাজনৈতিক অপব্যবহার থেকে সুরক্ষা এবং কার্যকর বৈশ্বিক ব্র্যান্ডিং।
সরকারের লক্ষ্য হলো, ক্রিয়েটিভ ইকোনমি উদ্যোগের মাধ্যমে জিডিপিতে সৃজনশীল খাতের অবদান বৃদ্ধি করা, পাঁচ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা এবং 'ক্রিয়েটেড ইন বাংলাদেশ' ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠা করা।