কক্সবাজারের ১০টি উপজেলায় টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল এবং নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, গত ৫ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এ দুর্যোগে প্রায় দেড় লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং ৩৭ হাজার ৩৬৫টি পরিবার পানিবন্দী রয়েছে।
এ পর্যন্ত ১৯০টি পাহাড়ধসের ঘটনায় মোট ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১৯ জন পাহাড়ধসে এবং ৪ জন অন্যান্য কারণে মারা গেছেন। নিহতদের মধ্যে ১৩ জন রোহিঙ্গা রয়েছে।
বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী উপজেলা। জেলার প্রায় ১৪ হাজার ৭৬০ মিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কক্সবাজার-চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।
দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলায় ৬৪০টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ইতিমধ্যে দুর্গতদের জন্য ৪০ দশমিক ৪ মেট্রিক টন চাল, ৭৮০ প্যাকেট শুকনো খাবার ও ২ লাখ ৪৫ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে।