বিশ্বকাপে ব্রাজিলের হেক্সা মিশন আবারও ব্যর্থ হলো। রোববার নিউজার্সির মেটলাইট স্টেডিয়ামে নরওয়ের কাছে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে এবারের আসর থেকে বিদায় নিল কার্লো আনচেলত্তির ব্রাজিল। এর ফলে ২৪ বছরের অপেক্ষা আরো দীর্ঘায়িত হয়ে ২৮ বছরে পৌঁছালো।
ব্রাজিলের দলে ছিলেন বিশ্বমানের তারকা যেমন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, গ্যাব্রিয়েল, কাসেমিরো ও এলিসন। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, এত শক্তি নিয়েও কেন ব্রাজিল পরাজিত হলো? কোচের কৌশল, নাকি অন্য কিছু? ১৯৯০ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে বিদায় নিতে হলো ব্রাজিলকে।
নরওয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচে ব্রাজিলের কোচ আনচেলত্তির অতি-রক্ষণাত্মক কৌশল নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। সাধারণত বল পজেশন ধরে রেখে খেলা ব্রাজিল এবার মাত্র ৩৪ শতাংশ বল পজেশনে শেষ করেছে। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল ছেড়ে কাউন্টার-অ্যাটাক নির্ভর হয়ে উঠেছিল ব্রাজিল।
ব্রাজিলের আক্রমণাত্মক খেলোয়াড়রা গোলের সুযোগ তৈরি করতে ব্যর্থ হন। ম্যাচের ১৩ মিনিটে পেনাল্টি মিস করেন ব্রুনো গিমারায়েস। এছাড়া এনড্রিক ও ভিনিসিয়ুসের সুযোগগুলোও নষ্ট হয়। ব্রাজিলের ফিনিশিংয়ের অভাব স্পষ্ট ছিল।
লুকাস পাকেতার অনুপস্থিতি ব্রাজিলের মিডফিল্ডে প্রভাব ফেলেছে। পাকেতার সাথে কাসেমিরো ও ব্রুনোর কেমিস্ট্রি অভাব দেখা গেছে। গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি আক্রমণে অবদান রাখলেও মাঝমাঠে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ছিলেন না।
ব্রাজিলের দলগত পারফরম্যান্সও হতাশাজনক ছিল। ভিনিসিয়ুস ও মার্তিনেল্লির ব্যক্তিগত দক্ষতা থাকলেও দল হিসেবে একত্রিত হয়ে খেলার অভাব ছিল। নেইমারকে মাঠে নামানো কতটা যৌক্তিক ছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।