ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে ৩৪ হাজারের বেশি মানুষকে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়েছে। দেশটির জরুরি সেবা বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অনুষ্ঠান চলাকালীন কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
৭ জুলাই প্রকাশিত আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৮৯ সালে ইসলামী বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজায় ঘটে যাওয়া বিশৃঙ্খলার পুনরাবৃত্তি এড়াতে ইরানি কর্তৃপক্ষ ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
১৯৮৯ সালে খোমেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে আনুমানিক এক কোটি মানুষ অংশ নিয়েছিলেন, যার ফলে পদদলিত হয়ে অন্তত ১০ জন নিহত এবং ১০ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছিল।
ইরানের জরুরি সেবা বিভাগের প্রধান জাফর মিয়াদফার জানান, 'এ পর্যন্ত এই অনুষ্ঠানে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। তবে ৩৪ হাজারের বেশি অংশগ্রহণকারীকে চিকিৎসা ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয়েছে।'
অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম সামাল দিতে অতিরিক্ত অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসাকর্মী এবং জরুরি সেবা ইউনিট মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরাও ভিড় নিয়ন্ত্রণে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, অতীতের দুর্ঘটনার অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরানি কর্তৃপক্ষ জনগণের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে।
এদিকে, খামেনির মরদেহ দেশটির পবিত্র শহর কোমে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, তার মরদেহ হেলিকপ্টারে করে তেহরানের দক্ষিণে অবস্থিত এই ধর্মীয় নগরীতে নেওয়া হয়েছে।