তাইওয়ানের পূর্ব উপকূলসংলগ্ন জলসীমায় চীনের কোস্টগার্ড নতুন টহল কার্যক্রম শুরু করেছে। বেইজিংয়ের এ পদক্ষেপের পর পরিস্থিতি মোকাবিলায় নজরদারি জাহাজ মোতায়েন করেছে তাইওয়ান।
চীনের কোস্টগার্ড শনিবার এক বিবৃতিতে জানায়, তারা পূর্ব উপকূলের জলসীমায় ‘আইন প্রয়োগমূলক টহল’ পরিচালনা করবে। সংস্থাটি দাবি করেছে, এটি চীনের ‘আধিক্ষেত্রভুক্ত জলসীমা’ এবং ভবিষ্যতে নিয়মিত টহল আরও জোরদার করা হবে।
এদিকে, তাইওয়ানের কোস্টগার্ড জানায়, তারা ইতোমধ্যে নজরদারি জাহাজ মোতায়েন করেছে। তাইপে জানিয়েছে, চীনা জাহাজ যদি তাদের জলসীমায় প্রবেশ করে, তবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
চীন তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দাবি করলেও দ্বীপটি গণতান্ত্রিকভাবে স্বশাসিত। চীনের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ তাইওয়ান প্রণালি ও আশপাশের জলসীমায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে।
এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিমা দেশগুলো গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। চীনের দাবি, গত জুনে একই ধরনের টহল কার্যক্রম শুরু করা হয়েছিল জাপান ও ফিলিপাইনের সমুদ্রসীমা নির্ধারণসংক্রান্ত আলোচনার জবাবে।
তাইওয়ান তাদের জাহাজগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে, চীনের কোস্টগার্ডের কোনো তল্লাশি বা জাহাজে ওঠার নির্দেশ মানা যাবে না। প্রয়োজনে তাইওয়ানের কোস্টগার্ড হস্তক্ষেপ করবে বলেও জানানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, চীন তাইওয়ানের সার্বভৌমত্ব স্বীকার করে না এবং দ্বীপটি ও এর আশপাশের জলসীমাকে নিজেদের অংশ হিসেবে দাবি করে। তবে তাইওয়ানের অবস্থান অনুযায়ী, বেইজিংয়ের এ ধরনের দাবি আন্তর্জাতিক আইন ও বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।